সিরিয়াল কিলার টেড বান্ডির অন্তিম সাক্ষাৎকার



লম্বা, ঋজু শরীরের কাঠামো।
কোঁকড়ানো চুল, ঈগলের ঠোটের মতো বাঁকানো খাড়া নাক ।
সুদর্শন। ড্যাশিং।
.
আইনের তুখোড় ছাত্র । বিনয়ী, নম্র, মার্জিত রুচির পোষাক আশাক, সব মিলিয়ে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব।আপাদমস্তক নিপাট ভদ্রলোক। প্রথম দর্শনে যে কেউই পছন্দ করে বসতে বাধ্য। রহস্য আর মায়ার অদ্ভুতে মিশেলে ভরা চোখ দুটো যে কোন মেয়ের রাতের ঘুম হারাম করার জন্য যথেষ্ট।
.
সুদর্শন চেহারা আর ভদ্রলোকের মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে ছিল অন্য একটা প্রাণী। যেন সে রবার্ট লুই স্টিভেন্সনের গল্পের বই থেকে উঠে আসা বাস্তবের ডক্টর জেকিল অ্যান্ড মিস্টার হাইড। সে ছিল এক সিরিয়াল কিলার, রেইপিস্ট, নরপিশাচ। ৩০ এরও বেশি মেয়েকে নিজের হাতে অত্যন্ত নিষ্ঠুর ভাবে খুন করেছিল বলে নিশ্চিত ভাবে জানা যায়। যদিও আসল সংখ্যাটা আরো অনেক বেশি। সিরিয়াল কিলারদের নানা ধরণের বাতিক থাকে। ওর বাতিক ছিল নেক্রোফিলিয়া – মৃতদেহের সাথে সেক্স। পচে-ফুলে গলতে শুরু করার আগ পর্যন্ত ও ওর ভিক্টিমদের মৃতদেহগুলোকে ধর্ষণ করতো।
.
থিওডর রবার্ট বান্ডি। লোকে তাকে টেড বান্ডি বলেই জানতো। শেয়ালের মতো ধূর্ত ছিল, বিড়ালের মতো নিঃশব্দ ছিল তার চলাফেরা। নারী শিকারের নিখুঁত প্ল্যান করতো। চিতার ক্ষিপ্রতায় শিকার করে স্রেফ ভূতের মতো হাওয়ায় মিলিয়ে যেতো। বাঘা বাঘা পুলিশ অফিসার আর ঝানু গোয়েন্দাদের নাকের জল আর চোখের জল এক করে ছেড়েছিলো । সত্তরের দশকে আমেরিকার ৭ টি প্রদেশ জুড়ে কায়েম করেছিল এক ত্রাসের রাজত্ব।
.
কী ছিল বান্ডির এই অন্ধকার জগতের চালিকা শক্তি? কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উঁচু ডিগ্রিও টেড বান্ডিকে মানুষ বানাতে পারেনি? কীভাবে একটা মানুষ এতোটা বিকৃত হয়ে ওঠে?

১৯৮৯ সালের ২৪ জানুয়ারী মৃত্যুর আগ মুহূর্তে মনোবিদ জেমস সি. ডবসনের কাছে সে এই কৌতূহলোদ্দীপক সাক্ষাৎকার প্রদান করে। এই সাক্ষাৎকারে পাওয়া যাবে খন্ডিত এক চিত্র। পুরো চিত্র পাওয়ার জন্যে পড়তে হবে এই তিনটি আর্টিকেল –

১) সিরিয়াল কিলার প্রথম পর্ব – http://lostmodesty.blogspot.com/2016/04/blog-post_18.html
২) সিরিয়াল কিলার – দ্বিতীয় পর্ব – http://lostmodesty.blogspot.com/2016/04/blog-post_22.html
৩)পর্নোগ্রাফি যেভাবে আমাকে সিরিয়াল কিলার বানিয়েছেঃ টেড বান্ডি’র অন্তিম সাক্ষাৎকার – http://lostmodesty.blogspot.com/2016/04/blog-post_36.html

source

Leave a Reply